ঢাকা, রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮, ৪ শাওয়াল ১৪৪২

মণিরামপুরে পুকুর খননে অনিয়মের অভিযোগ


প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন


মণিরামপুরে পুকুর খননে অনিয়মের অভিযোগ


মণিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধিঃ মণিরামপুরে দু’টি পুকুর পুনঃখনন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগ সুত্রে প্রকাশ, জেলা মৎস্য অফিস টেন্ডার জালিয়াতির মাধ্যমে মেসার্স জাহিদ এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ওয়ার্কঅর্ডার না দিয়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে মণিরামপুর উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল ইসলাম ও তার জামাই আইনুল ইসলামকে ওই দু’টি পুকুর খননের ওয়ার্কঅর্ডার দেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জাহিদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত¡াধিকারী জাহিদুল ইসলামের অভিযোগ, কোটেশনের ভিত্তিতে এবং পিআইসির মাধ্যমে সর্বন্মিœ দরদাতা হিসেবে মণিরামপুর উপজেলার হায়াতপুর পুকুর এবং একই এলাকার বাগবাড়িয়া পুকুর পুনঃখননের কাজ পান তিনি। 

অভিযোগ রয়েছে জেলা মৎস্য অফিসের সাবেক ডিপিডি ( উপ প্রকল্প পরিচালক) মাহবুবুর রহমানের মাধ্যমে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে জেলা মৎস্য কর্মকতা আনিছুর রহমান মণিরামপুর উপজেলা কৃষকলীগ নেতা আবুল ইসলাম ও তার জামাই আইনুল ইসলামকে এলসিএস’র দলনেতা দেখিয়ে প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকার পুকুর পুনঃখননের কাজটি পাইয়ে দেন। এ ব্যাপারে জাহিদুল ইসলাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে উপর মহলের চাপ আছে বলে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, মৎস্য অধিদপ্তরের জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় মনিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের পুকুর পুনঃখননে ১২ লাখ ৪৪ হাজার এবং হায়াতপুরে অপর একটি পুকুরের জন্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। হায়াতপুর পুকুর পুনঃখনন কাজটি পান উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল ইসলাম এবং বাগমারা পুকুর পুনঃখননের কাজটি পান আবুল ইসলামের জামাই আইনুল ইসলাম। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে নয়ছয় করে তারা কাজ শেষ করে সমুদয় অর্থ লোপাট করেন। 

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার আবুল ইসলাম ও তার জামাই আইনুল ইসলাম বলেন, সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।


   আরও সংবাদ