ঢাকা, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ৬ জৈষ্ঠ্য ১৪২৭, ৬ জ্বমাদিউল সানি ১৪৪২

‘মুজিববর্ষে এন্টিজেন টেস্ট স্বাস্থ্যখাতের আরেকটি মাইলফলক’


প্রকাশ: ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন


‘মুজিববর্ষে এন্টিজেন টেস্ট স্বাস্থ্যখাতের আরেকটি মাইলফলক’

স্টাফ রিপোর্টার: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন,"মুজিব বর্ষে দেশের দশটি জেলায় এন্টিজেন টেস্ট শুরুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের আরেকটি মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে।দেশে ১১৮টি পিসিআর ল্যাবে আগে থেকেই কভিড টেস্ট হয়ে আসছিল।

এখন নতুন করে দশটি জেলায় (পঞ্চগড়, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট,যশোর, মেহেরপুর, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, সিলেট, ব্রাম্মনবাড়িয়া,পটুয়াখালী) এন্টিজেন টেস্ট শুরু হলো। এই টেস্টটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত।প্রথম অবস্থায় কেবল সেসব স্থানেই এই এন্টিজেন টেস্ট শুরু করা হচ্ছে যেখানে পিসিআর ল্যাব নেই।তবে খুব দ্রুতই এই টেস্টের স্থান ও সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।"

আজ ৫ ডিসেম্বর, সকালে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন আইইডিসিআর কর্তৃক আয়োজিত অনলাইন জুম মিটিং এ অংশ নিয়ে দেশের ১০ জেলায় এন্টিজেন টেস্ট সুবিধার উদবোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ এমপি।

সভার অনলাইন জুমের মাধ্যমে যশোর সরকারি হাসপাতালের এন্টিজেন পরীক্ষার উদবোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী এসময় তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, "এন্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে মাত্র ১৫-৩০ মিনিটেই রেজাল্ট পাওয়া যাবে যা যেকোন জরুরি অপারেশন সহ অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কাজে লাগবে।র‍্যাপিট এন্টিজেন টেস্টের জন্য সরকার নীতিমালা প্রনয়ণ করেছে।নীতিমালা অনুযায়ী কীটের ব্যবহার করা হবে।এই টেস্টের জন্য কোন বাড়তি টাকা খরচ করতে হবেনা।মাত্র ১০০ টাকাতেই এই টেস্ট করা যাবে।এই এন্টিজেন টেস্টের কীটগুলি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন ছাড়া আনা হবে না এবং কীট ব্যবহারে সন্দেহমূক্ত থাকা হবে।"

উল্লেখ্য,পয়েন্ট অব এন্ট্রি অর্থাৎ সকল বিমানবন্দর,স্থলবন্দর,সমুদ্রবন্দরগুলোতে এই এন্টিজেন কীট প্রযোজ্য হবেনা।তবে,দেশের সকল সরকারি হাসপাতালে, যেসকল স্থানে পিসিআর ল্যাব নেই বা সংক্রমণ বেশি হচ্ছে এসকল স্থানে এই কীট ব্যবহার করা হবে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম,অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা আকতারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট জেলার হাসপাতাল প্রধান,সিভিল সার্জনগণ বক্তব্য রাখেন।সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা।

 


   আরও সংবাদ