ঢাকা, রবিবার, ২২ মে ২০২২, ৭ আশ্বিন ১৪২৯, ২০ শাওয়াল ১৪৪৩

চাঁদা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর-লুটপাটের অভিযোগ ব্যবসায়ীর


প্রকাশ: ২৯ মার্চ, ২০২২ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন


চাঁদা না দেয়ায় দোকান ভাংচুর-লুটপাটের অভিযোগ ব্যবসায়ীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদা না দেয়ায় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও হেনস্থা করার অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ আব্দুল্লাহপুরের কলাকান্দি গ্রামের ভুক্তভোগী মানিক। 

মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এোসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আযোজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। 

ভুক্তভোগী প্রবাসী মানিক বলেন, আমার ১৮ বছরের প্রবাস জীবনে যা অর্জন করেছি সর্ব অর্থ ব্যয় করে আমি দোকানটি কিনি। স্থানীয় সন্ত্রাসী মামুন ও তার বাহিনীকে নিয়ে আমার দোকানে বিভিন্ন সময় ভাংচুর, চাঁদাবাজী ও আমাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে আসছে। চাঁদার টাকা না দেয়ায় আমার দোকানের উপর হামলা করে এবং আমাকে মারধর করে হাত ভেঙ্গে দেয় এবং দোকানের সমস্ত মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

তার বিরুদ্ধে আমি আইনের আশ্রয় নিলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সে জামিনে বেরিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচারে লিপ্ত হয় এবং আমার নামে হয়রানী মূলক মামলা প্রদান করে। তার মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে রায় প্রদান করেন। 

প্রবাসী মানিক বলেন, আদালতের রায় পেয়ে থানায় জমা দিলে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরেজমিনে এসে দোকানটি আমার বরাবরে বুঝিয়ে দিয়ে যান। কোর্ট, থানা এবং এলাকার পঞ্চায়েত যখন আমার পক্ষেই রায় প্রদান করেন, তখন সন্ত্রাসী মামুন আর কোন উপায়ন্তর না দেখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রশাসনের লোকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে অপপ্রচার চালায়। এবং প্রশাসন সহ আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে এবং আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার কাজে লিপ্ত আছে। 

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর বলেন, একপর্যায়ে এলাকা সমাজের পঞ্চায়েতের লোকজন ও মার্কেট সমিতির সদস্যগণ বসে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন যে, দোকানটিতে মামুনের মালিকানা নাই তার বাবা দোকানটি বিক্রি করেছেন তাই বর্তমান ক্রেতাকে যাতে দোকানটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সন্ত্রাসী মামুন ওই রায় না মেনে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে যায়। উপজেলা চেয়ারম্যান সকল কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আগের রায় বহাল রাখেন। সে তখন আদালতের সরনাপন্ন হয়। আদালতেও মামলাটি মামুনের বিপক্ষে যায়। 

ভুক্তভোগী প্রবাসী মানিক বলেন, মামুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ রয়েছে। তার আপন বড় ভাই মাসুদ একজন মাদকসেবী তার বিরুদ্ধেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় সে জেল খেটে জামিনে বেরিয়েছে। মামুনও বিভিন্ন চাঁদাবাজী মামলায় জেল খেটে বেড় হয়েছে। মামুনের মা শাহানাজ বেগম বিভিন্ন মামলায় জেল খেটে বের হয়েছে। অর্থ্যাৎ তার পুরো পরিবার বিভিন্ন মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজীর সঙ্গে জড়িত। আমি তার বিচার দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে কেরানীগঞ্জের বেশকজন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।


   আরও সংবাদ