ঢাকা, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ১৫ জ্বিলহজ্ব ১৪৪২

যে শাস্তি হতে পারে সাকিবের


প্রকাশ: ১২ জুন, ২০২১ ১২:৫৬ অপরাহ্ন


যে শাস্তি হতে পারে সাকিবের

সাকিবের এমন অস্বাভাবিক আচরণের ঘটনাটি খতিয়ে দেখবে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিসিডিএম।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শুক্রবার (১১ জুন) আবাহনীর বিপক্ষে ঘটনাবহুল ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত সাকিবের মোহামেডান জিতেছে ৩১ রানে। তবে সেই জয়-পরাজয় ছাপিয়ে আলোচনায় সাকিব আল হাসান। এদিন বিশ্বসেরার অদ্ভুত আচরণে বিস্মিত সবাই।

মুশফিককে এলবিডব্লু  না দেওয়ায় লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙা কিংবা বৃষ্টির আগেই আম্পেয়ারের খেলা বন্ধের সিদ্ধান্তে স্ট্যাম্প উপড়ে ফেলা। সবই হয়েছে আবাহনী মোহামেডান ম্যাচে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও আবাহনী কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের সঙ্গেও জড়িয়েছেন বাদানুবাদে। যদিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুরো ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন সাকিব।

তবুও সাকিবের এমন অস্বাভাবিক আচরণের ঘটনাটি খতিয়ে দেখবে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিসিডিএম। ম্যাচের দুই আম্পায়ার ইমরান পারভেজ ও মাহফুজুর রহমান এবং ম্যাচ রেফারি মোরশেদুল আলমের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে সিসিডিএম।
ম্যাচ শেষে বিসিবি পরিচালক ও সিসিডিএম প্রধান কাজী ইনাম বলেছেন, খেলার মাঠে অনেক কিছুই হয়। আজ আবাহনী-মোহামেডানের খেলা ছিল এবং এখানে বেশ উত্তেজনা ছিল, কিছু ঘটনাও ঘটেছে। সাকিব আল হাসানকে আমরা দেখতে পেয়েছি। এটা ফেসবুক লাইভ এবং ইউটিউব লাইভেও ছিল। এটা দুর্ভাগ্যজনক। ম্যাচ রেফারির দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হবে সাকিবের শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত।

কাজী ইনাম বলেন, ক্রিকেট এমন একটি খেলা, যেখানে উত্তপ্ত একটি মুহূর্ত এসে যেতে পারে। কিন্তু আমরা আশা করি, সবসময় খেলোয়াড় তাদের মেজাজ ধরে রাখবে। যাই হোক, এটা স্বীকৃত ম্যাচ, এখানে নিয়ম আছে। ম্যাচ রেফরি, আম্পায়ারা একটা প্রতিবেদন দেবেন। নিয়ম ভাঙলে কী হয়, সেটাও সবাই জানে। আম্পায়াররা যদি আচরণবিধির লেভেল টু লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন, তাহলে শাস্তি হবে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা অথবা এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও আর্থিক জরিমানা।

আর যদি লেভেল ফোর ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা হবে কমপক্ষে পাঁচ ম্যাচের।

সিসিডিএম প্রধান আরও বলেন, ক্রিকেটে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। কখনও তার সিদ্ধান্ত আপনার পছন্দ নাও হতে পারে, কিন্তু খেলাটা তো চালিয়ে যেতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চায় বাংলাদেশ

আমি জানি না সিদ্ধান্ত কী ছিল তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ম্যাচের মধ্যে অনেক সময় কোনো কারণে খেলোয়াড় উত্তেজিত হয়ে যেতেই পারে, কিন্তু তাদের সবার বিশেষ করে সিনিয়র খেলোয়াড়দের অবশ্যই মেজাজ ধরে রাখতে হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকের ম্যাচে সেটা হয়নি।


   আরও সংবাদ