ঢাকা, রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮, ৪ শাওয়াল ১৪৪২

মণিরামপুর হাটবাজারে কেজি দরে হরহামাষা তরমুজ বিক্রি


প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০৬:০১ পূর্বাহ্ন


মণিরামপুর হাটবাজারে কেজি দরে হরহামাষা তরমুজ বিক্রি


মণিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধিঃ মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে হরহামাষা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে বলে ক্রেতা-সাধারনের অভিযোগ। 

 প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, অসৎ ব্যবাসয়ীরা বেশি মুনাফার জন্য  স্যাকারিন ও রং মিশ্রিত পানি সিরিঞ্জ দিয়ে তরমুজের মধ্যে ঢুকিয়ে ওজন বৃদ্ধি করে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠার পর ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মাঠ প্রশাসন বিষয়টিকে আমলে নিয়ে সারা দেশে ওজনে তরমুজ বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিভিন্ন হাট-বাজারে ফলের দোকানে বিশেষ করে তরমুজের পাইকারি ও খুচরা দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানের প্রেক্ষিতে দেশের বহুস্থানে গ্রীষ্মের রসালো মৌসুমী ফল তরমুজ এখন ব্যবসায়ীরা অগত্যা  পিচ হিসেবে বিক্রি করছেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে এখনও ওজনে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে।

মণিরামপুরের রাজগঞ্জ বাজারে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তরমুজ ব্যবসায়ীরা উচ্চ দর হাঁকিয়ে ওজনে তথা কেজি দরে  তরমুজ বিক্রি করছেন বলে বহু ক্রেতা-সাধারণ অভিযোগ করেছেন। এতে খাদ্য নিরাপত্তা একদিকে যেমন বিঘিœত হচ্ছে। অন্যদিকে  নিম্ন আয়ের মানুষ বেশি দামের কারণে তরমুজের স্বাদ নিতে পারছেন না। চলতি মৌসুমে বিভিন্ন হাট-বাজারে তরমুজের আমদামি যথেষ্ঠ।  কিন্তু রমজান মাসে রসালো ফল তরমুজের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকায় বিগত বছরের তুলনায় এবার দাম খুবই চড়া। প্রতিকেজি  তরমুজ  ৫০-৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৩/৪ কেজি ওজনের একটি তরমুজের দাম  ২০০ টাকা থেকে ২৫০টাকা।  যা সাধারন একজন ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার বাইরে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। তাছাড়া পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি না করায় অনেক ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা অযথা তর্কে জড়িয়ে বিষাদাগার করে তুলছেন।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার রাজগঞ্জ, নেংগুড়াহাট, রোহিতা, খেদাপাড়া, চিনাটোলা, নেহালপুর, ঢাকুরিয়া,কুয়াদহসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার প্রশাসনের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীরা হরহামাষা কেজির ওজনে তরমুজ বিক্রি করেছে। এতে অনেক ক্রেতা বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজগঞ্জ বাজারের একজন খুচরা তরমুজ বিক্রেতা বলেন, আমরা পাইকারদের কাছ থেকে কেজি দরে তরমুজ কিনে এনেছি। তাই বিক্রি করছি কেজি দরে।  প্রশাসন পাইকারদের পিচ হিসেবে বিক্রি নিশ্চিত করলে তবেই না আমরা পিচ হিসেবে বিক্রি করতে পারবো।


   আরও সংবাদ