ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১ রমজান ১৪৪২

শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি


প্রকাশ: ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ১৭:৩৩ অপরাহ্ন


শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি

স্টাফ রিপোর্টার: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ২০০০ সালে বোমা পুঁতে রেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আপিলের রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ বিষয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান খান শাহিন, মোহাম্মদ শাহিন আহমেদ, মো. সাফায়েত জামিল, মো. আশিকুজ্জামান বাবু, সাদিয়া সুলতানা রত্না। 

আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, মোহাম্মদ আহসান, মো. নাসিরউদ্দিন। 

এছাড়া পলাতক আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন আমূল্য কুমার সরকার।

২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ কলেজের মাঠে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়।

বোমা উদ্ধার হওয়ার পরদিন ওই স্থানেই শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনায় কোটালিপাড়া থানার উপ পরিদর্শক নূর হোসেন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পরে মামলা করেন।

বোমা উদ্ধার হওয়ার পরদিন ওই স্থানেই শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনায় কোটালিপাড়া থানার উপ পরিদর্শক নূর হোসেন বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পরে মামলা করেন।

সে মামলার তদন্ত শেষে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 

এরপর গোপালগঞ্জের আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলায় হরকাতুল জিহাদের ১০ নেতাকর্মীর ফাঁসি, একজনের যাবজ্জীবন ও তিনজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

বিচারিক আদালতের এই রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়।


   আরও সংবাদ