Severity: Warning
Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/alt-php56/ci_session0df41e1abf13eb627f290f96c35ff1023fd44dd0): failed to open stream: No space left on device
Filename: drivers/Session_files_driver.php
Line Number: 172
Backtrace:
File: /home/bnnews24/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 5
Function: __construct
File: /home/bnnews24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once
Severity: Warning
Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/alt-php56)
Filename: Session/Session.php
Line Number: 143
Backtrace:
File: /home/bnnews24/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 5
Function: __construct
File: /home/bnnews24/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : 'প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক প্যাকেজের বিষয়ে ফখরুল সাহেবের বক্তব্য চোখ-কান থাকতে অন্ধ-বধিরের মতো আচরণ' বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকায় মিন্টু রোডে সরকারি বাসভবন থেকে দেয়া বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব সংবাদ সম্মেলন করে যে বক্তব্য রেখেছেন, এতে মনে হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, সেটা না পড়ে, না বুঝে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আমরা আশা করেছিলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই অর্থনৈতিক পাকেজ ঘোষণার পর, তারা সরকারকে ধন্যবাধ জানাবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা ধন্যবাদ জানানোর সংস্কৃতিটাই লালন করে না। সে কারণে বিএনপি এবারও চিরাচরিত গতানুগতিক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে নি।”
এই প্যাকেজ ঘোষণার আগে থেকেই সরকার দরিদ্র, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, 'অথচ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে এখানে দরিদ্র মানুষের কোন কথা নেই, এখানে দিনে আনে দিনে খায় এমন মানুষের কোন কথা নেই- এ ধরণের কান্ডজ্ঞানহীন কথা বলেছেন। এই সংবাদ সম্মেলন করার আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জানা উচিৎ ছিল, বিএনপির মত একটি বড় দলের মহাসচিবের মত দায়িত্বে থেকে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে বক্তব্য রাখা।'
করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে খেটে-খাওয়া মানুষের জন্য সরকারের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, সরকারের চলমান ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ডের বাইরেও দরিদ্র মানুষ যাতে বিনামূল্যে খাদ্য পায়, সেজন্যই সরকার ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে ৪৮ হাজার একশত ১৭ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১৬ কেটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ লাখ পরিবারকে নগদ সহায়তা দেওয়ার জন্য ৬ শত ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।এর বাইরেও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৪ টাকা দামের ওএমএসের চাল ১০ টাকা কেজি দরে ঢাকাসহ সারাদেশে দেয়া হচ্ছে, যাতে দরিদ্র মানুষ এটা কিনতে পারে। এবং এতে মানুষ যে সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছে, স্বস্তিপ্রকাশ করেছে, তা বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকেই জানা গেছে।
এছাড়াও সরকার ৫০ লাখ পরিবারকে গত সাত মাস ধরে প্রতি পরিবারকে ৩০ কেজি করে দশ টাকা দরের চাল বিতরণ করছে, যার ফলে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ এই সহায়তা পাচ্ছে, জানান ড. হাছান।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক এই প্যাকেজে কৃষক, মৎস্যখামারী, হাঁসমুরগি পালনকারীদের ক্ষতি পোষাতেও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অথচ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বলেছেন, এই সমস্ত খাতে কোন বরাদ্দ দেয়া হয় নাই। মির্জা ফখরুল সাহেব চোখ-কান থাকতেও অন্ধ ও বধিরের মত আচরণ করছেন।'
স্বাস্থ্যখাতের বিষয়েও মির্জা ফখরুলের অভিযোগ খন্ডন করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'স্বাস্থ্যখাতে চলতি বাজেটে ২৫ হাজার পাঁচশত আশি দশমিক ৫৬ কেটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এবং মানীয় প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজ ঘোষণার আগেই পিপিই ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রীর ব্যবস্থাসহ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেগুলো মির্জা ফখরুল সাহেব হয়ত জেনেও না জানার ভান করছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই সারা দেশে সাড়ে তিন লক্ষেরও বেশি পিপিই বিতরণ করেছে।'
সরকার নাকি জনগণকে ঘরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এমন কথাও ফখরুল সাহেব বলেছেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২৫শে মার্চ জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ কার্যত ঘরেই অবস্থান করছে। এবং জনগনের জন্য দেয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনাও পালন করতে জনগণ সচেষ্ট। কিন্তু সমগ্র দেশের মানুষ যেখানে ঘরে অবস্থান করছে, আমরা দেখতে পেলাম খালেদা জিয়া যেদিন বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পেলেন, তারা বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের সামনে হাজার হাজার মানুষকে জড়ো করলেন, বাড়ির সামনে জমায়েত করলেন। যেখানে ২৬ শে মার্চের জাতীয় সব অনুষ্টান বাতিল করা হয়েছে, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাতিল করা হয়েছে, অথচ তারা হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেন। তারাই আবার দোষারোপের রাজনেীতি করেন। এ থেকে তারা বেরিয়ে আসবেন, সেটাই জাতির প্রত্যাশা।'
মন্ত্রী বলেন, 'তারা (বিএনপি) পড়ে, জেনে, শুনে পরামর্শ দিতে পারেন, কিন্তু অন্ধের মতো নয়। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, করোনা ভাইরাসের মহাদুর্যোগ সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এখন একে অপরকে দোষারোপের, বাদানুবাদের সময় নয়। একে অপরের হাত ধরে মানুষের পাশে দাড়ানোর সময়।'