ঢাকা, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ মাঘ ১৪২৮, ১৪ সফর ১৪৪৩

মুজিববর্ষ উপলক্ষে কোপেনহেগেনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ


প্রকাশ: ২৯ জুলাই, ২০২১ ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন


মুজিববর্ষ উপলক্ষে কোপেনহেগেনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে কোপেনহেগেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে।

কোপেনহেগেন-এ বসবাসরত প্রায় তিন শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশীরা খেলাটি উপভোগ করতে সপরিবারে মাঠে আসেন এবং সেই সাথে অনেক ডেনিশ দর্শক মাঠে ছিলেন। অনুষ্ঠিত এই খেলায় “ইশয় আইএফ” ৬-৪ গোলে জয়লাভ করে। কোপেনহেগেন'এ বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ একাদশ ও স্থানীয় ফুটবলদল “ইশয় আইএফ”-এর মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। 

খেলা শেষে একটি পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ইশয় টাউনের সম্মানিত মেয়র মহোদয় জনাব ওলে বিয়োরস্টপ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন “ইশয় আইএফ”-ফুটবল ক্লাবের সভাপতি। এছাড়াও কোপেনহেগেনস্থ বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনীতিকবৃন্দ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

পুরস্কার বিতরণীতে ডেনমার্ক-এ নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী তাঁর বক্তব্যে শুরুতেই বলেন এ বছর  আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি। 

তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে যে সকল লাখো শহিদ দেশের জন্য অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। 

এরপর তিনি উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে ভিশন ২০২১ এবং ভিশন ২০৪১ এর লক্ষমাত্রা কে সামনে রেখে একটি উন্নত, সমৃদ্ধিশালী ও কল্যাণকর রাষ্ট্রগঠনে সবাইকে অবদান রাখতে উদাত্ত আহবান জানান। 

পরিশেষে এই চমৎকার ফুটবল ম্যাচের জন্য উভয়দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান। প্রধান অতিথি ইশয় টাউনের মেয়র তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন, তিনি বলেন এই ধরনের ক্রীড়া উদ্যোগের মাধ্যমে ডেনিশ ও বাংলাদেশি জনগণের মাঝে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন বৃদ্ধি পাবে ও পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বিনিময় ঘটবে।

তিনি এই ধরনের উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান। দূতাবাসের আয়োজনে সান্ধ্যভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানটি কোপেনহেগেনস্থ প্রবাসী বাঙ্গালিদের দ্বারা বিপুলভাবে সমাদৃত হয়।


   আরও সংবাদ