ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ৮ ফাল্গুন ১৪২৭, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

তুরস্ক বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ, যেকোনো দুর্যোগে পাশে থাকে তুরস্ক


প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর, ২০২০ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন


তুরস্ক বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ, যেকোনো দুর্যোগে পাশে থাকে তুরস্ক

   

স্টাফ রিপোর্টার : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: এনামুর রহমান সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলকে বলেন, তুরস্ক বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং যেকোনো দুর্যোগে তুরস্ককে পাশে পেয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট উত্তরণে তুরস্কের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

কক্সবাজারে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের হাসপাতাল টির কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছর আমি নিজে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছি। রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য সেবায় হাসপাতালটি সুনামের সহিত কাজ করছে। 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: এনামুর রহমানের সাথে তার মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্য হলেন টিকা'র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ইসমাঈল গুন্ডোগডু। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহসীন উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে সরকারের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে প্রত্যাবর্তন বা ফেরত পাঠানো।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এদেশের প্রতিটি গৃহহীন পরিবার যাতে দুর্যোগ সহনীয় ঘর পায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ভূমিহীন পরিবারকে জমি প্রদান পূর্বক সেখানে দুর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরি করে দিবে সরকার। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ খরচ হবে এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা । বর্তমান অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সারাদেশে ১৭ হাজার পাঁচ টি ঘর তৈরি করে দিবে।

তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সাফল্যের প্রশংসা করেন। এ দেশের উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন। বিশেষ করে গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরীর ক্ষেত্রে তারা সরকারকে সহযোগিতা করতে চায় বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে শীঘ্রই একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে বলে প্রতিনিধিদল আশাবাদ ব্যক্ত করে।


   আরও সংবাদ