ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ৮ ফাল্গুন ১৪২৭, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শ্রীলঙ্কা সফরের নতুন মুখ ইয়াসির


প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন


শ্রীলঙ্কা সফরের নতুন মুখ ইয়াসির

   

বিএন নিউজ ডেস্ক : করোনা থেকে সুরক্ষিত আছেন এমন ভাবনায় চিন্তামুক্ত অনুশীলন করতে পারছেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলী রাব্বী। পাশাপাশি জাতীয় দলের কোচিং স্টাফদের সান্নিধ্য পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত ইয়াসির।

শ্রীলঙ্কা সফরের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া স্কিল ট্রেনিংয়ে ২৭ ক্রিকেটারকে ডেকেছিল বিসিবি। সেই দলের নতুন মুখ ছিলেন ইয়াসির। এর আগে জাতীয় দলের স্কোয়াডে ডাক পেলেও ডমিঙ্গোদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করা হয়নি। এবার সেই সুযোগটি পেয়েছেন। তাতে অনুশীলনের পার্থক্য অনুভব করেছেন ইয়াসির।

শনিবার (২৬ সেপ্টম্বর) চট্টগ্রামের এ ক্রিকেটার বলেন, ‘দীর্ঘসময় চট্টগ্রামে অনুশীলন করেছি কিন্তু একজন মেন্টর ও কোচের অভাব ছিল। এখানে এসে ব্যাটিং করে সবচেয়ে যে জিনিসটা ভালো লেগেছে, কোচের সঙ্গে কথা বলে। আমি কি কি জিনিস নিয়ে কাজ করতে চাই ওসব নিয়ে কথা বলেছি, অল্প কিছু কাজও করেছি।’

লকডাউন শেষে ব্যক্তিগত অনুশীলনে ফিরলেও ভালোমানের বোলার পাচ্ছিলেন না ইয়াসির। ঢাকায় যোগ দিয়ে পুরোদমে চলেছে তার অনুশীলন। ইয়াসিরের ভাষ্য, ‘চট্টগ্রামে সমস্যা হয়েছিল সেখানে একদম কোন পেস বোলার ছিল না। 

লকডাউনে নিজের ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন ইয়াসির। ওজন কমিয়েছেন নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে। সেজন্য আগের থেকে ফুরফুরে অনুভব করছেন। ব্যাটিংয়েও সেই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগে শরীরের উপর আলগা বল খেলতে সমস্যা হতো। এখন সহজেই টাইমিং মিলিয়ে ফেলেন। পাশাপাশি বড় শটে এসেছে গতি। চাইলেই যে কোনো বল এখন উড়াতে পারেন ইয়াসির।

এখানে এসে অনেক ভালো ভালো পেসারের মুখোমুখি হয়েছি অনেকদিন পর। একটু অন্য রকম লাগছিল কিন্তু যত সময় যাচ্ছিল ব্যাটিংও আল্লাহর রহমতে ভালো হচ্ছিল। খুব ভালো প্র্যাকটিস সেশন হয়েছে আমাদের।’

স্কিল ক্যাম্প নিয়ে ইয়াসিরের ভাষ্য, ‘আগেও আমি জাতীয় দলের ক্যাম্প করেছি কিন্তু এই ক্যাম্পটা পুরোটাই আলাদা। কারণ এমন সুযোগ সুবিধা ও নতুন পরিবেশে ক্যাম্প হয়নি আগে। সবমিলিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা খুব ভালো লাগছে। একা একা অনুশীলনের মধ্যে দলীয় অনুশীলনের যে অনুভূতি সেটা আসেনা। নতুন অভিজ্ঞতা ভালো লাগছে আমার।’

অনেকেরই ধারণা জৈব সুরক্ষা বলয় ক্রিকেটারদের জন্য বাড়তি ঝামেলা ও বোঝা। ইয়াসির জানালেন ভিন্ন কিছু। তার ব্যাখ্যা, ‘বায়ো বাবলের মধ্যে আমরা ক্যাম্পটা করছি, একটা নতুন অভিজ্ঞতা। কিন্তু অভিজ্ঞতাটা খারাপ না। 

আমরা সত্যি কথা একটু আতঙ্কিত হয়ে যাই, বাইরে গেলে কি হবে বা আক্রান্ত হয়ে যাবো কিনা এই ভয়ে। এই জিনিসটা এখন একটু আমাদের মন থেকে দূরে থাকছে। আমরা জানছি, বায়ো বাবলের মধ্যে ঢুকলে আমরা নিরাপদ থাকবো। এই চিন্তা মাথায় রেখেই সুন্দরভাবে অনুশীলন করতে পারছি।’


   আরও সংবাদ